06, December, 2022
Home » ইত্তেফাকের চোখে বিলাই মুতিয়া দিয়াছে
blogimage29

ইত্তেফাকের চোখে বিলাই মুতিয়া দিয়াছে

আশিক ইসলামঃ

দৈনিক ইত্তেফাকের প্রতিষ্ঠাতা কিংবদন্তী সাংবাদিক তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া। অন্যায়ের কাছে, স্বৈরাচারের কাছে মাথা নত করেননি কখনই। ন্যায় ও সত্যের পথে থাকার কারনে পাকিস্থান শাসনামল সহ স্বাধীন বাংলাদেশে দীর্ঘ দিন ইত্তেফাক ছিলো দেশের অন্যতম সেরা জাতীয় দৈনিক। পশ্চিম পাকিস্থানি শাসকদের বর্বর এক চোখা নির্লজ্জ মিথ্যাচারের বিরুদ্ধে আলোর দিশারী মানিক মিয়া তার এক সম্পাদকীয়তে লিখেছিলেন, “ উহাদের চোখে বিলাই মুতিয়া দিয়াছে”। অর্থাৎ পাকিস্থানি শাসকদের চোখে বিড়াল প্রস্রাব করে দিয়েছে বিধায় তারা আজ সত্য দেখতে পায় না।

আজ ৫ মে ২০২০। তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়ার সেই বিখ্যাত কথাটি বুমেরাং হয়ে ফিরে এসেছে দৈনিক ইত্তেফাকের দিকে। অতীত গৌরব, মান, প্রচার সংখ্যা সব কিছু হারিয়ে বর্তমান ইত্তেফাক টিকে রয়েছে শুধু মাত্র আওয়ামী সরকারের দয়ায়, করুনায়। ইত্তেফাক আজ সরকারের করুনা ভিক্ষায় এতটাই মরিয়া যে, সকল সত্য জলাঞ্জলী দিয়ে, মিথ্যাচারের সর্বোচ্চ রেকর্ড সৃষ্টি করে একটি রিপোর্ট লিখেছে, “যুক্তরাজ্যে ত্রাণ কার্যক্রম তারেকের, বাংলাদেশে নেই কোন সহায়তা’ শিরোনামে। এ রিপোর্ট দেখে অনেকেই এখন বলছেন, “ইত্তেফাকের চোখে বিলাই মুতিয়া দিয়াছে”। রিপোর্টে লেখা হয়েছে, বাংলাদেশের কোথাও নাকি বিএনপির ত্রাণ কার্যক্রম তারা দেখতে পায়নি। মাঠ পর্যায়ের কোথাও নাকি বিএনপির ত্রাণ কার্যক্রম নেই। ইত্তেফাক দেখবে কোথা থেকে ? কারন তাদের চোখেতো বিড়াল প্রস্রাব করে দিয়েছে।

বাস্তবতা হচ্ছে, চাল চোর, তেল চোর আলু চোরদের বাঁচাতে এমন রিপোর্ট। বাস্তবতা হচ্ছে, বিএনপি এবং তার প্রতিটি অঙ্গ সংগঠন দেশের সকল জেলা, উপজেলা,থানা এমনকি ইউনিয়ন পর্যায়ে সাধ্য মত তাদের ত্রাণ কার্যকম চালিয়া যাচ্ছে। সরকারের নির্দেশে কোন পত্রিকায় তা প্রকাশ করা হয় না। বাস্তবতা জানে বাংলাদেশের মানুষ। জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন ও ড্যাব’র নিরলস ভাবে ইকুইপমেন্ট সরবরাহ সহ স্বাস্হ্য সেবা সাধারণ মানুষের চোখে পড়লেও, আওয়ামী বিড়ালের প্রস্রাবের যন্ত্রণায় তা দেখতে পাচ্ছে না ইত্তেফাক।

আমি চ্যালেঞ্জ করে ইত্তেফাককে বলতে চাই আপনাদের গোটা রিপোর্ট মিথ্যা। যদি সৎ সাহস থাকে বিএনপির বর্তমান সময়ের যতদুর সম্ভব সকল ত্রাণ কার্যক্রমের তালিকা ও ছবি আপনাদেরকে সরবরাহ করবো পারলে ছাপায়ে দেখুন। গোটা ইত্তেফাকের সকল পাতায় এক লাইন করে লিখেও সকল সংবাদ শেষ করতে পারবেন না।

আওয়ামীলীগের আতংক তারেক রহমান। আর তারেক রহমানের বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রচার করে ভিক্ষার ঝুলি ভরতে পারবেন কিন্তু বাংলাদেশের মানুষের কাছে সম্মান পাবেন না। কারন বাংলাদেশের মানুষের হৃদয়ে তারেক রহমান।

জাতির বিবেক আজ বেহায়া জাত

জাহিদ গাজী –

প্রিয় সম্পাদক, দৈনিক ইত্তেফাক
ঢাকা, বাংলাদেশ

মহান আল্লাহ সূরা আল-বাকারাতে মানুষের কর্মের কারণে মানুষকে জানোয়ার থেকে নগন্য বলে উল্লেখ করেছেন। শেখ হাসিনা শাসিত আজকের বাংলাদেশে ঐ মানুষরূপী জানোয়ারগুলিই পেটের ক্ষুধা মিটানোর জন্য চোখ দিয়ে ভোজন করতে করতে উদরের ওজনের কথা বলতে বসেছে। তাদের উদর পূর্ণ হলেও দৃষ্টির ক্ষুধা মেটে না। আর এদিকে পেটের ওজন নিচের দিকে হেলতে থাকে। ফলে সরকারের দালালি করতে করতে আপনাদের মতো সংবাদিক নামের সাংঘাতিক মানুষরূপী পশুগুলো ভারী হয়ে যাওয়া পেটের নিচে ও উপরে কিছুই দেখতে পারেন না। আপনারা শরীরের ওজন বৃদ্ধির জন্য, সরকারের দালালি করবেন করেন। বেহায়া, বেহায়ার চর্ম চোষন করবে এতে কার কি এসে যায়। অতঃপর ;
জনাব তারেক রহমান বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপার্সন। আর জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যানও তিনি। দেশের ধনী-গরিব সকল শ্রেণীর মানুষের কষ্টে উপার্জিত অর্থের ট্যাক্স থেকে বরাদ্দকৃত গরিবের ত্রাণ যখন আওয়ামীলীগের নেতকর্মীদের খাটের নিচে সম্পদে পরিণত হচ্ছে। তখন এই জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে তারেক রহমানের একটি মাত্র আহবানে সারা বাংলাদেশে বিএনপির নেতাকর্মীরা যেভাবে তাদের নিজস্ব সহায় সম্বল নিয়ে দলমত নির্বিশেষে বাংলাদেশের অসহায় মানুষের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে, তা আপনার মত জানোয়াররূপী সাংবাদিকগণের চোখে না পড়লেও দেশের অপমার জনসাধারণের চোখের মনিতে পরিণত হয়েছে। গত এক যুগেরও বেশি সময় ধরে নির্যাতিত, সহায় সম্বল হারানো, মামলায় জর্জরিত নেতাকর্মীরা, যার যা কিছু আছে তাই নিয়ে যেভাবে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে , তা যখন সমাজের সর্বত্র প্রশংসিত হচ্ছে তখনই সরকারের সুবিধাভোগী আপনাদের মতো সাংবাদিক নামের কলংক তারেক রহমানের বিরুদ্ধে অপপ্রচার করতে উঠে পড়ে লেগেছেন। রাজনৈতিক দ্বন্দ, এমনকি রাজনৈতিক শত্রূতারও একটা শালীনতা থাকা উচিত। গত ১২ বছর বাংলাদেশে শুধু একটা স্বৈরশাসকই নয়, বলা যায় প্রকৃতপক্ষে হিংসা ও ব্যাক্তি তারেক রহমান বিরোধী একটি সরকার জবর দখল করে বসে আছে। তারপরও বিগত ১২ বছরেরও বেশি সময়ে অঘাত ক্ষমতাশীল এই কতৃত্ববাদী হাসিনা সরকার সকল প্রকার রাষ্ট্রযন্ত্র ব্যবহার করেও তারেক রহমানের বিরুদ্ধে একটি দুর্নীতির প্রমান করতে পারেনি। সেখানে, দেশে বসেই আপনি বিদেশে তারেক রহমানের আয়ের উৎস সম্পর্কে কোনো প্রকার প্রমান বা রেফারেন্স ছাড়াই যে উদ্ভট কাহিনী হাজির করেছেন, তা সত্যিই সেলুকাস। ইত্তেফাকের মতন এমন একটি প্রতিষ্ঠিত জাতীয় দৈনিকে এমন উদ্ভট কাহিনী ছেপে মূলত আপনি আপনার পত্রিকাটিকেই শুধু না, বরং পাঠক সমাজেও ভৎসনায় পর্যবসিত হবেনবই কি।
“জাতির বিবেক” থেকে সাংবাদিকতাটাকে আজ আপনাদের মতো গুটিকয়েক জানোয়াররাই একটা “বেহায়া জাতে” পরিণত করেছেন। যা হয়তো এই সমাজকে বহিতে হবে বহুদিন …

জাহিদ গাজী
অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে (পলিটিকাল ইকোনোমি) অধ্যায়নরত

ইত্তেফাকে প্রচারিত মিথ্যা সংবাদের প্রতিক্রিয়া (ফেইস বুক থেকে সংগৃহীত)

Leave a Comment

You may also like

Critically acclaimed for the highest standards of professionalism, integrity, and ethical journalism. Ajkerkotha.com, a new-generation multimedia online news portal, disseminates round-the-clock news in Bangla from highly interactive platforms.

Contact us

Copyright 2021- Designed and Developed by Xendekweb